POS সফটওয়্যার বাংলাদেশ

দোকানের জন্য সহজ POS সফটওয়্যার — বিক্রি হবে সেকেন্ডে

হিসাব একটি ক্লাউড POS (Point of Sale) সফটওয়্যার, যা বানানো হয়েছে বাংলাদেশের দোকানের জন্য — বাংলায়, মোবাইলে, আর কোনো আলাদা মেশিন ছাড়াই। বারকোড স্ক্যান করুন, দাম আপনিই বসে যাবে, ক্যাশ মেমো প্রিন্ট বা SMS করে দিন।

  • বারকোড স্ক্যান করে বিক্রি

    ফোনের ক্যামেরা বা USB স্ক্যানার — দুটোতেই চলে। পণ্যে বারকোড না থাকলে হিসাব থেকেই লেবেল বানিয়ে প্রিন্ট করুন।

  • ক্যাশ মেমো ও ইনভয়েস

    A4, A5 বা থার্মাল রোল প্রিন্টারে মেমো। কাস্টমারকে SMS বা WhatsApp-এ পাঠানোর ব্যবস্থাও আছে।

  • বাকি বিক্রি

    কাস্টমার পুরো টাকা না দিলে বাকিটা তার খাতায় নিজে থেকেই উঠে যায়। পরে আদায় করলে রশিদও হয়।

  • স্টক নিজে কমে

    প্রতিটা বিক্রিতে স্টক আপডেট হয়। একটা পণ্য দুইজন একসাথে বিক্রি করলেও স্টক মাইনাসে যায় না।

  • বিকাশ, নগদ, ক্যাশ

    কোন বিক্রির টাকা কোন মাধ্যমে এল — ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, কার্ড বা ব্যাংক — আলাদা করে হিসাব থাকে।

  • কার্ট ধরে রাখুন

    এক কাস্টমার ভাবছেন, আরেকজন অপেক্ষায়? কার্ট হোল্ড করে পরের জনের বিল করুন, পরে আগেরটা আবার খুলুন।

POS সফটওয়্যার কী, আর ছোট দোকানের কেন দরকার?

POS মানে যেখানে বিক্রিটা হয় — আপনার ক্যাশ কাউন্টার। POS সফটওয়্যার সেই কাউন্টারের কাজটা করে: পণ্য খুঁজে বা স্ক্যান করে বিল বানায়, টাকা নেয়, মেমো দেয়, আর একই সাথে স্টক ও হিসাবের খাতা হালনাগাদ করে।

খাতা-কলমে এই কাজগুলো আলাদা আলাদা হয় — বিক্রির খাতা, বাকির খাতা, মালের হিসাব। দিনের শেষে মেলাতে গিয়ে গরমিল ধরা পড়ে, কিন্তু কোথায় ভুল হয়েছে খুঁজে পাওয়া যায় না। POS সফটওয়্যারে প্রতিটা বিক্রি একবারই লেখা হয়, আর সেখান থেকেই বাকি সব হিসাব তৈরি হয়।

আলাদা POS মেশিন লাগবে না

বাংলাদেশে অনেকেই মনে করেন POS মানে ৩০–৫০ হাজার টাকার মেশিন। হিসাব চলে আপনার এখনকার স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে — অ্যাপ হিসেবেও ইনস্টল করা যায়। প্রিন্টার আর স্ক্যানার ঐচ্ছিক; লাগলে বাজারের সাধারণ থার্মাল প্রিন্টার আর USB স্ক্যানারই যথেষ্ট।

  • মোবাইলে: ক্যামেরা দিয়েই বারকোড স্ক্যান
  • কম্পিউটারে: USB বারকোড স্ক্যানার ও থার্মাল প্রিন্টার
  • একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে, কর্মচারী আলাদা লগইনে

বিক্রির পরে যা যা নিজে থেকে হয়

একটা বিক্রি সেভ করলেই স্টক কমে, কাস্টমারের বাকি (যদি থাকে) তার খাতায় ওঠে, টাকা ক্যাশ ড্রয়ার বা বিকাশ অ্যাকাউন্টে যোগ হয়, আর দিনের বিক্রি ও লাভের রিপোর্টে চলে যায়। কোনো কিছু দ্বিতীয়বার লিখতে হয় না।

ভুল বিক্রি বাতিল করলে স্টক ফেরত আসে, কাস্টমার মাল ফেরত দিলে রিটার্ন নিলে সেই টাকাও হিসাবে ঠিকঠাক বসে।

বাংলাদেশে POS সফটওয়্যারের দাম কত?

বাজারে এককালীন লাইসেন্সের সফটওয়্যার ১০ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত, তার সাথে মেশিন আর বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ। হিসাবের একটাই প্ল্যান — মাসিক ৮০০ টাকা, সব ফিচার সহ। কোনো সেটআপ ফি নেই, আর সন্তুষ্ট না হলে ৭ দিনে টাকা ফেরত।

সাধারণ প্রশ্ন

হিসাব POS কি মোবাইলে চলে?

হ্যাঁ। যেকোনো অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনের ব্রাউজারে চলে, অ্যাপ হিসেবেও ইনস্টল করা যায়। কম্পিউটার থাকলে সেখানেও একই অ্যাকাউন্টে কাজ করা যায়।

বারকোড ছাড়া পণ্য কীভাবে বিক্রি করব?

নাম লিখে খুঁজে বিক্রি করা যায়। চাইলে হিসাব থেকেই পণ্যের বারকোড তৈরি করে লেবেল প্রিন্ট করে নিতে পারেন।

কোন প্রিন্টার লাগবে?

প্রিন্টার বাধ্যতামূলক নয় — মেমো SMS বা WhatsApp-এ পাঠানো যায়। প্রিন্ট করতে চাইলে সাধারণ থার্মাল রোল প্রিন্টার বা A4/A5 প্রিন্টার দুটোই চলে।

POS সফটওয়্যারের মাসিক খরচ কত?

মাসিক ৮০০ টাকা, সব ফিচার সহ। সেটআপ ফি নেই, ৭ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি আছে।

আজই দোকানের হিসাব ডিজিটাল করুন

মাসিক ৮০০ টাকা · সব ফিচার · ৭ দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি